সোমবার নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর সভা, ক্ষোভপ্রকাশ শিশিরের

সোমবার নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর সভা, ক্ষোভপ্রকাশ শিশিরের

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর সভা। আর সেই সভায় থাকছেন না অধিকারীরা। কিছুদিন আগেই শুভেন্দুর পাশাপাশি তার ভাই সৌমেন্দ্যুও বিজেপিতে যোগদান করেন। এরপর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে অধিকারী পরিবারের। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে নিজেদের গড়কে শক্ত করে ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল। আর তাই সোমবার নন্দীগ্রামে সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সভায় যাচ্ছেন না শিশির অধিকারী এদিন সাফ জানিয়ে দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করে দেওয়ার নামে ৬০ লক্ষ টাকার প্রতারণা!

সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিশির অধিকারী। বলেন, “আমরা তো লস্ট কেস। দলের তরফে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে কেউ কোনও যোগাযোগ করেনি। তাই সভায় যাওয়ার প্রশ্ন-ই ওঠে না।” প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই দিঘা -শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শিশির অধিকারীকে। শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই অধিকারী পরিবারের প্রতি খানিক কড়া হচ্ছিল তৃণমূল।

প্রথমে কাঁথি পরিষদের পদ থেকে সরানো হয় সৌমেন্দু অধিকারীকে। তারপর DSDA থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শিশিরকে। ফলে, ডিসেম্বরে কাঁথিতে সভা করেন সৌগত রায় ও ফিরহাদ হাকিম। শরীর ভাল নেই জানিয়ে, সেই সভাতেও ছিলেন না শিশির অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন না অধিকারী পরিবারের কেউই।

এর পাশাপাশি গত ২৯ ডিসেম্বর খড়দার সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু হুঙ্কার দিয়েছিলেন, “এখনও তো বাসন্তী পুজোটা আসেনি, রামনবমী আসেনি। রামনবমীটা আসতে দিন। আমার বাড়ির লোকেরাও পদ্ম ফোটাবে। শুধু আমার বাড়ির লোক কেন? হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ঢুকেও পদ্ম ফুটিয়ে আসব।” আর এর পরেই শুরু হয়েছে জল্পনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x