দলত্যাগের পর প্রথম বার এলাকায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে “মারতে লোক পাঠানোর” অভিযোগ সুনীল মণ্ডলের।

দলত্যাগের পর প্রথম বার এলাকায় এসে  তৃণমূলের বিরুদ্ধে “মারতে লোক পাঠানোর” অভিযোগ সুনীল মণ্ডলের।

নজরবন্দি ব্যুরো: দলত্যাগের পর প্রথম বার এলাকায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে “মারতে লোক পাঠানোর” অভিযোগ সুনীল মণ্ডলের। দলবদলের হিড়িকে শুভেন্দুর অনুগামী দলবদলের হিড়িক কে শুভেন্দু র অনুগামী হয়ে দল ছেড়েছিলেন কাঁকসার নেতা সুনীল মন্ডল। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর প্রথম বার নিজের বাড়ি, কাঁকসায় ফিরলেন তিনি। আর ফিরেই তোপ দাগলেন নিজের পুরনো দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রাণহানির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে স্বপ্নপূরণ, তারকাখচিত মুম্বই দলে জায়গা পেলেন জুনিয়র তেন্ডুলকর।

নিজের বাসায় ফিরে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদের দাবী পরিস্থিতি দেখে তিনি আন্দাজ করতে পারছেন তাঁকে আক্রমণ, তাঁর ওপর হামলা চালানোর ছক কষছে তৃণমূল। তাঁর চারপাশে এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে একাধিক দলীয় নেতা কর্মীদের। শুভেন্দু অধিকারী র পর বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেয়েছেন তিনি। বিশেষ সেই নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় নিজের এলাকায় আসেন। এসেই যোগ দেন বিজেপি কর্মীদের সাথে ‘ চায়ে পে চর্চা ‘ তে। এবং স্বাভাবিক ভাবেই সেখান থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন পুর্ব বর্ধমানের এই সাংসদ।

তাঁর মূল ক্ষোভ যে পিকে তথা প্রশান্ত কিশোর কে নিয়ে তাকে নিয়ে আবারও এদিন বলেন ” একজন ব্যাপারীর কাছে আমাদের রাজনীতি শিখতে হবে?” তৃণমূল দলের কে কী করবে না করবে সবই নাকি হয় পিকের অঙ্গুলি হেলনে আর এই কষ্ট থেকেই একাধিক নেতা মন্ত্রী দলত্যাগ করছেন বলেই দাবি সুনীল মণ্ডলের। এখানেই থামেননি তৃণমূলের এই প্রাক্তন সাংসদ। এই মুহূর্তে বিজেপির দ্বারা প্রচারিত ‘ তৃণমূল নিশ্চিহ্নকরণ” এর কথাও বলেন, বলেন জানুয়ারি তেই একাধিক নেতা মন্ত্রী তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেবে এবং ৩১ শে জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যে তৃণমূল হয়ে পড়বে সংখ্যালঘু। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এদিন ‘ দেশদ্রোহী ‘ বলেও তোপ ডাগেন সুনীল বাবু।

তবে রাজ্যে তৃণমূলকে সংখ্যালঘু করার প্রসঙ্গে শাসক দলের নেতা কর্মীদের দলত্যাগী হিড়িক দেখেই সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন বিজেপি যদি পরিকল্পনা করে তৃণমূলের দল ভাঙিয়ে রাজ্যে শাসক দলকে সংখ্যালঘু করে জরুরি আইন জারি করবেন , তাহলে তা মেনে নেবেনা বাম দল। সুনীল মন্ডল। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর প্রথম বার নিজের বাড়ি, কাঁকসায় ফিরলেন তিনি। আর ফিরেই তোপ দাগলেন নিজের পুরনো দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রাণহানির চেষ্টা করছে তৃণমূল। নিজের বাসায় ফিরে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদের দাবী পরিস্থিতি দেখে তিনি আন্দাজ করতে পারছেন তাঁকে আক্রমণ, তাঁর ওপর হামলা চালানোর ছক কষছে তৃণমূল। তাঁর চারপাশে এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে একাধিক দলীয় নেতা কর্মীদের। শুভেন্দু অধিকারী র পর বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেয়েছেন তিনি।

বিশেষ সেই নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় নিজের এলাকায় আসেন। এসেই যোগ দেন বিজেপি কর্মীদের সাথে ‘ চায়ে পে চর্চা ‘ তে। এবং স্বাভাবিক ভাবেই সেখান থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন পুর্ব বর্ধমানের এই সাংসদ। তাঁর মূল ক্ষোভ যে পিকে তথা প্রশান্ত কিশোর কে নিয়ে তাকে নিয়ে আবারও এদিন বলেন ” একজন ব্যাপারীর কাছে আমাদের রাজনীতি শিখতে হবে?” তৃণমূল দলের কে কী করবে না করবে সবই নাকি হয় পিকের অঙ্গুলি হেলনে আর এই কষ্ট থেকেই একাধিক নেতা মন্ত্রী দলত্যাগ করছেন বলেই দাবি সুনীল মণ্ডলের। এখানেই থামেননি তৃণমূলের এই প্রাক্তন সাংসদ। এই মুহূর্তে বিজেপির দ্বারা প্রচারিত ‘ তৃণমূল নিশ্চিহ্নকরণ” এর কথাও বলেন, বলেন জানুয়ারি তেই একাধিক নেতা মন্ত্রী তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেবে এবং ৩১ শে জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যে তৃণমূল হয়ে পড়বে সংখ্যালঘু।

দলত্যাগের পর প্রথম বার এলাকায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে “মারতে লোক পাঠানোর” অভিযোগ সুনীল মণ্ডলের। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এদিন ‘ দেশদ্রোহী ‘ বলেও তোপ ডাগেন সুনীল বাবু। তবে রাজ্যে তৃণমূলকে সংখ্যালঘু করার প্রসঙ্গে শাসক দলের নেতা কর্মীদের দলত্যাগী হিড়িক দেখেই সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন বিজেপি যদি পরিকল্পনা করে তৃণমূলের দল ভাঙিয়ে রাজ্যে শাসক দলকে সংখ্যালঘু করে জরুরি আইন জারি করবেন , তাহলে তা মেনে নেবেনা বাম দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x