‘পদ নয়, পতাকা.. নেত্রীর নাম মমতা!’ বিজেপি কে ‘২১ যুদ্ধে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের।

‘পদ নয়, পতাকা.. নেত্রীর নাম মমতা!’ বিজেপি কে ‘২১ যুদ্ধে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের।

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘পদ নয়, পতাকা.. নেত্রীর নাম মমতা!’ ‘ভাইপো’ ইস্যুতে বিজেপিকে পাল্টা তোপ, সাহস থাকলে নাম করে বলুন! চ্যালেঞ্জ করলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়! এখন আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ‘ভাইপো’। আর তাতেই আজ নতুন মাত্রা যোগ করলেন, তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘ভাইপো’ সম্মোধনে এদিন বিজেপির খোঁচার জবাব দিলেন তিনি। অভিষেকের কটাক্ষ, “সবার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ভাইপো। কেউ নাম নিতে পারেন না। বুকের পাটা থাকলে ভাব বাচ্যে কথা বলে না বলে নাম নিয়ে দেখাক”।

আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপি–তে গিয়ে ছাগলের ৩ নম্বর বাচ্চা হয়েছে’, সৌমিত্র খাঁ-কে বেনজির আক্রমণ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে তিনি দিলীপ ঘোষকে ‘গুন্ডা’ এবং কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে ‘বহিরাগত’ বলে তোপ দেগেছেন। মুকুল রায় কে তোপ দেগে অভিষেক এদিন বলেন, তৃণমূল ছাড়ার পর বিজেপিতে যোগ দিয়ে মুকুল রায় ধর্মতলার সভা থেকে বলেছিলেন বিশ্ববাংলা আমার কোম্পানি। সেই মুকুল রায় কে আমি কোর্টে টেনেছি, ল্যাজেগোবরে করেছি। তাই এখন আর কেউ মুখে নাম নেওয়ার সাহস করেনা। সবাই ভাইপো, ভাতিজা বলে কথা বলেন।

বিজেপির পাশাপাশি যুব তৃণমূল সভাপতির আক্রমণের কেন্দ্রে ছিল বাম-কংগ্রেসও। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আমাকে বারবার ভাইপো বলে ডাকছে, তাদের সাহস থাকলে আমার নাম ধরে ডাকুক। যিনি আমার নাম নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছেন, তাঁকে আমি আদালতের রাস্তা দেখিয়েছি। তাই বলছি, দম থাকলে আমার নাম নিয়ে বলুন”।

এছাড়াও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে এদিন তিনি বলেন,”ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীরও আমার নাম নিয়ে কথা বলার বুকের পাটা নেই”। এদিন সুর চড়িয়ে আরও বলেন, “আমি তো নাম নিয়ে বলছি, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত। দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, মাফিয়া। নাম করে বলছি, অমিত শাহ বহিরাগত। সুনীল দেওধর বহিরাগত। আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা। কেন এদের বহিরাগত বলব না?”

সভার কিছুক্ষন পর অভিষেক ব্যাক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি কার্যত ২০২১ নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াইয়ের সুর বেধে দেন। অভিষেক লিখেছেন। “পদ নয়, পতাকা নেত্রীর নাম মমতা।” তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ত্যাগ-ধৈর্য্যের বিনিময়ে এই দল আজ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই দলের সম্পদ।তাঁরাই আগামীদিনের পথপ্রদর্শক।আমাদের প্রিয় দল তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আজ ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বজবজের মুচিশা ফুটবল গ্রাউন্ডে আয়োজিত জনসভার কিছু মুহূর্ত।মানুষের মুখরিত সখ্যেই বিরাজ করে তৃণমূল কংগ্রেস।বাংলার হৃদয়ে তৃণমূল। এ মাটি দুর্জয় ঘাঁটি, এ মাটিই পথের দিশা। এ মাটি লড়তে জানে। জিততে জানে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x