শাহের সভায় যা জনসমাগম, গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়, দাঁতনে কটাক্ষ অভিষেকের।

শাহের সভায় যা জনসমাগম, গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়, দাঁতনে কটাক্ষ অভিষেকের।
শাহের সভায় যা জনসমাগম, গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়, দাঁতনে কটাক্ষ অভিষেকের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শাহের সভায় যা জনসমাগম, গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়, দাঁতনে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ অভিষেকের। নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করতেই এই সপ্তাহে জঙ্গল মহলে ব্যাক টু ব্যাক সভা করবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। একই সঙ্গে জঙ্গলমহলে সভা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ব্যাক টু ব্যাক সভার তার শুরু ছিল আজ। আজ ঝাড়গ্রামে সভা করার কথা ছিল অমিত শাহের। কিন্তু সভার কিছুক্ষন আগেই বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঝাড়গ্রামে আসতে পারছেন না তিনি, বদলে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন খড়গপুর থেকেই।

আরও পড়ুনঃ দিদি বলতে নেচেছেন, কত কি করেছেন কিন্তু মন্ত্রীত্ব পাননি! মানুষের সেবা করতে তাই পদ্মবনে দেবশ্রী

বিজেপির তরফ থেকে এই বার্তা দেওয়া হলেও সূত্রের খবর খুব বেশি জনসমাগম হয়নি আজকের সভায়। প্রথমে লোকসংখ্যা কম হওয়ার কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল নির্ধারিত সময়ের থেকে প্রায় আধঘন্টা দেরী করে শুরু হবে সভা, কিন্তু তখনও সেরকম লোকসমাগম না হওয়ায় শাহ্‌ সিদ্ধান্ত নেন, ঝাড়গ্রামে না গিয়ে খড়গপুর থেকেই ভারচুয়ালি বক্তৃতা দেবেন তিনি।

ওপর দিকে কালই নন্দীগ্রাম দিবস থেকে ফের নির্বাচনী কর্মসূচী শুরু করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে সভার শুরুতেই তিনি শাহের সজনসভা বাতিলের ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, সভার যা চিত্র তাঁর কাছে এসেছে, তার থেকে গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়। বেশি লোক হয় চায়ের দোকানে। তার সঙ্গে অভিষেক এও বলেন, মোদীর দল বাংলাকে গুজরাট মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে, শুধুমাত্র একজন মহিলাকে সরানোর জন্য যে চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীরা, তার ফলাফল ২রা মে ফিরিয়ে দেবেন বাংলার মানুষ।

শাহের সভায় যা জনসমাগম, গ্রামের JCB কাটা দেখতে বেশি লোক হয়, তার সাথে সাথেই মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে ঈশ্বরচন্দ্র থেকে মাতঙ্গিনী হাজরার কথা বলে তিনি বলেন, এই জেলার একজন মানুষ বিস্বাসঘাতকতা করতে পারে, কিন্তু যে বা যঁরা বাংলার রীতি নীতি আদর্শের বিসর্জন দিচ্ছেন মেদিনীপুরের মানুষ কখনোই নির্বাচন করবেন না তাঁদের। তার সঙ্গে তিনি আবার স্বাস্থ্য সাথী থেকে দুয়ারে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে আনেন। তুলনায় আনেন বিজেপির সোনার বাংলা গড়ার পরিকল্পনার কথা। বিজেপির নেতা দিলিপ ঘোষের পরিবারের কার্ড করানোর কথাও তুলে আনেন তিনি।