ঝটিকা সফরে সাক্ষাৎ অভিষেক-অভিজিতের, তবে কি হাত আলগা করছেন প্রণব পুত্র!

ঝটিকা সফরে সাক্ষাৎ অভিষেক-অভিজিতের, তবে কি হাত আলগা করছেন প্রণব পুত্র
ঝটিকা সফরে সাক্ষাৎ অভিষেক-অভিজিতের, তবে কি হাত আলগা করছেন প্রণব পুত্র

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝটিকা সফরে সাক্ষাৎ অভিষেক-অভিজিতের, আর তার পর থেকেই রাজনীতির উঠোনে আর একপ্রস্ত শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি এবার পাকাপাকি ভাবে হাত ছাড়ছেন প্রনব পুত্র, যদিও অভিজিত বাবু ‘সৌজন্য সাক্ষাতে রাজনীতির রঙ লাগাতে’ মানা করেছেন বারবার। তবু রাজনৈতিক মহল দুইয়ে দুইয়ে চার করছে কাল থেকেই।

আরও পড়ুনঃ আশঙ্কা করোনার থার্ড ওয়েভের, শিশু-চিকিৎসায় নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

গতকাল বজ্রাঘাতে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে, রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষিত আর্থিক সাহায্য তুলে দিতে মুর্শিদাবাদ ছুটে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নবনিযুক্ত সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহতদের পরিবারে গিয়ে সকলের সঙ্গে কথা বলেন, আশ্বাস দেন পাশে থাকার।

তার পরেই অভিষেকের কনভয় আচমকা যায় প্রনব পুত্রর বাড়িতে। আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতির ঝটিকা সফরে গিয়ে এহেন প্রাক্তন সাংসদ অভিজিত্‍ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকে সোজা ভাবে নিচ্ছেন না অনেকেই। বিভিন্ন মহল থেকে যুক্তি উঠছে রাজনীতিতে এই মুহুর্তে পাখির চোখ ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন।

আর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের দেশ জুড়ে মোদি বিরোধী মুখ হিসেবে উঠে আসছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। অন্যদিকে রাজনীতির ঘরে দিনে দিনে ক্রমশই দুর্বল হচ্ছে কংগ্রেস। মমতার প্রতি সুর নরম করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী স্বয়ং। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ নেতারাও চাইছেন এগিয়ে আসুন মমতা। এদিকে আবার দিন কয়েক আগে আব্দুল মান্নান কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহল মনে করছে ঝটিকা সফরের সাক্ষাৎ নেহাত সৌজন্যের নয়। সঙ্গে প্রকট হচ্ছে প্রণব পুত্রর হাত ছাড়ার জল্পনা। যদিও হাজার জল্পনাকে এক হাসিতে উড়িয়ে অভিজিত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘ নেহাত সৌজন্য সাক্ষাৎ। আবু তাহের ফোন করেছিল বিকেলে। সবাই এক সঙ্গে আছি দাদা। আপনার বাড়িতে একবার দেখা করে চা খেতে আসতে চাই। আমি বললাম চলে এসো। এঁরা কেউই বাবার শ্রাদ্ধের সময় যেতে পারেননি। টাই এই বাড়িতেই আমার বাবা, মায়ের ছবিতে শ্রদ্ধা জানান। সামান্য গল্পগুজব হয়। চা খেয়ে চলে যান।

এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত সম্পর্কে রাজনীতির রঙ দেবেন না দয়া করে।’ সঙ্গে তিনিন আর যোগ করেন সাক্ষাতে রাজনৈতিক দলবদলের তত্ব উঠে আসে কেনো, তাহোলে তো অধীর চৌধুরিও বৈঠক করেছেন ম্নোদির সঙ্গে, তাহলে কি জল্পনা সেখানেও? তাঁর মতে ব্যাক্তিহত জায়গায় রাজনীতির রঙ আনবেন না প্লিজ।  এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকেও বিষয়টিকে নেহাত সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here