দিদির থেকে শুনতে চাই, দিদি চুপ কেন, প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবিতে হবু শিক্ষকদের বিদ্রোহ!

দিদির থেকে শুনতে চাই, দিদি চুপ কেন, প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবিতে হবু শিক্ষকদের বিদ্রোহ!
দিদির থেকে শুনতে চাই, দিদি চুপ কেন, প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবিতে হবু শিক্ষকদের বিদ্রোহ!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিনই প্রায় শিক্ষকতার চাকরিতে বৈষম্য আর নিয়োগ বঞ্চনার অভিযোগ ওঠে। ঠিক এই রকমই প্রাইমারি টেট পাস বিএড ক্যান্ডিডেট রাও চরম বঞ্চনার শিকার বলে অভিযোগ। অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন ভোটের আগে। কিন্তু এখনও নিয়োগপত্র পাননি তাঁরা। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে তাই বিদ্রোহ করলেন TET উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। তাঁদের হাতে থাকা পোস্টারে লেখা রয়েছে, দিদি চুপ কেন, দিদির থেকে শুনতে চাই! ইত্যাদি স্লোগান।

আরও পড়ুনঃ ৯২ হাজার ভোটে জয়ী জাকির, জঙ্গীপুর – সামসেরগঞ্জেও ধারেকাছে নেই বিরোধীরা।

চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, “ভোটের আগে নভেম্বরে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাইমারি টেট পাস প্রশিক্ষিত ২০,০০০ চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় পর্ষদ চেয়ারম্যান ১১ হাজারের কিছু বেশি চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে আর নিয়োগ নিয়ে সাড়া শব্দ করছে না। স্তব্ধ হয়ে আছে নিয়োগ।” হবু শিক্ষকরা বলছেন, “পর্ষদের এই দ্বিচারিতা বন্ধ হোক। আমাদের নিয়োগ দিন।”

প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবিতে TET উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বিদ্রোহ চলছে রাজ্য জুড়ে। বিভিন্ন জেলার ডিপিএসসি অফিসে ইতিমধ্যেই তাঁরা তাঁদের বঞ্চিত বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু কাজ হয়নি। তাই তাঁদের দাবি, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। তাঁদের আবেদন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যদি একটিবার তাঁদের নিয়োগের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন তাহলে নিয়োগ আর বাঁধাপ্রাপ্ত হবে না। মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবি কাজে যোগ দিয়ে তারাও সমাজে মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারবেন।

দিদি চুপ কেন, দিদির থেকে শুনতে চাই! বিদ্রোহ হবু শিক্ষকদের

দিদি চুপ কেন, দিদির থেকে শুনতে চাই! বিদ্রোহ হবু শিক্ষকদের
দিদি চুপ কেন, দিদির থেকে শুনতে চাই! বিদ্রোহ হবু শিক্ষকদের

এক চাকরিপ্রার্থীর কথায়, ‘আমরা ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেট পাস বিএড ক্যান্ডিডেট। ২০১৬ সালে যখন প্রাইমারি ভাইভা হয়েছিল তখন আমাদের বিএড কমপ্লিট ছিল। NCTE নিয়ম অনুযায়ী বিএডরা নিয়োগ পাওয়ার পরে ৬ মাসের ব্রিজ কোর্স করলেই হতো। যদিও পর্ষদ বিএড না নিয়ে non-trend নিয়োগ করেছে। আমরা তখন বঞ্চিত হয়েছি। কমবেশি ১৫০০ থেকে ২০০০ বিএড ক্যান্ডিডেটকে তখন বঞ্চিত করা হয়। পর্ষদের তখন NCTE NORM 2011 মেনে d.ed নিয়োগের পর বিএড নিয়োগ করে তারপর non-trend নিয়োগ করার দরকার ছিল।’

প্রসঙ্গত, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে ১৯৯৭-তৈরি হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। প্রথমদিকে একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হত। বদল আসে ২০১০-এ। ২০১০-এ NCTE-জানিয়ে দেয়, শিক্ষার আধিকার আইন অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের B.ED ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামূলক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here