Partha-Arpita: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, নির্দেশ আদালতের

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা। নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল আদালতের। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Partha Chaterjee: বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত, মক্কেলের হয়ে জানালেন পার্থর আইনজীবী

এদিন আদালতের কাছে ইডির আইনজীবী বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। তিনি বাইরে গিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন। পাল্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর যুক্তি, এখনও অবধি পার্থর কাছে থেকে কোনও সম্পত্তি উদ্ধার করেনি ইডি। তিনি ঘুষ নেননি এবং কোনও প্রমাণ মেলেনি। সমস্ত ডিড যা উদ্ধার হয়েছে তা নকল। এমনকি অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর কোনও পার্টনারশিপ নেই।

১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে 
১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে 

 

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিকার হয়েছেন। এখন বিধায়ক পদ ছাড়া তাঁর কাছে কিছু নেই। এখন বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে চান তিনি। উনি এখন একজন সাধারণ নাগরিক। তাই প্রভাব খাটানোর বিষয় থাকে না। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যকে সায় দেয়নি আদালত।

শুক্রবার তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন না করে জানালেন, অর্পিতাকে জেলে রাখা হোক প্রথম শ্রেণির কয়েদি হিসেবে। এসএসসি ‘দুর্নীতি’তে অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতাকে শুক্রবার আদালতে তোলা হয়। ইডি হেফাজত শেষে দু’জনেরই ১৪ দিনের জেল হেফাজতের আর্জি জানায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই আবেদনের পাল্টা ‘প্রভাবহীন’ পার্থ জামিনের আবেদন করলেও অর্পিতার আইনজীবীরা জামিনের আর্জি জানাননি।

১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে 

১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে 
১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে 

বরং ২ টি বিষয়ে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা। তাঁদের আবেদন অর্পিতাকে যেন প্রথম শ্রেণির কয়েদি হিসেবে গন্য করা হয়। এবং দুই, তাঁর প্রানের ভয় রয়েছে, সেক্ষেত্রে তাঁর নিরাপত্তা যেন সুনিশ্চিত করা হয়। আদালতে অর্পিতার আইনজীবীরা বলেছেন, অর্পিতাকে দেওয়ার আগে যেন খাবার বা জল দেওয়ার আগে পরীক্ষা করে নেওয়া হয়।