“জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী”




জনমত

পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার। কারন?

  • ভোট লুঠ (77%, 2,262 Votes)
  • উন্নয়নের পক্ষে ভোট (17%, 486 Votes)
  • দুর্বল বিরোধী (7%, 195 Votes)

Total Voters: 2,943

Loading ... Loading ...

নজরবন্দি,বানী পণ্ডিত: “জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী”- মা শব্দটির মধ্যে বিধাতা যেন বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল সৌন্দর্য, সকল স্নেহ, সকল আকুলতাকে বন্দি করে দিয়েছেন। আমাদের সকলের জীবনেই মা শব্দটি যেন রক্ষাকবচ।

তাই তো যাদের মা থাকে তাদের আর কবচকুন্ডলের প্রয়োজন হয় না। শৈশব কৈশরের দিনগুলি তো পুর্ণ থাকে মা নামের রক্ষাকবচে, তা সে মা গর্ভধারিণী মা-ই হোন, আর পালিতা মা-ই হোন। মা মানেই এক মায়াবী স্নেহময়ী অবস্থান। সন্তান মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলেও মা কখনো সন্তানের অমঙ্গল কামনা করেন না। কথাতেই আছে, ‘কুপুত্র যদি বা হয়, কুমাতা কখনো নয়’। মা এক বিশাল বটবৃক্ষ। ফল-ফুল-পাখির কূজনে যে আমাদের জীবন ভরিয়ে রাখে। জীবনে চলার পথে প্রতি মুহূর্তেই সঙ্গী থাকে সেই অজেয় অক্ষয় অনুভূতি। পরিণত বয়স পেরিয়ে একটা সময় মানুষ খুঁজে বেড়ায় সেই সুশীতল স্নেহ স্পর্শ। প্রতি মুহূর্তে সেই স্নেহময় আশ্রয়স্থল হলেন মা।

এক ছোট্ট গল্প বলে শেষ করবো। মাকড়শা মায়ের ডিম ফুটে বেড়িয়ে আসে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্ছা তখন তারা থাকে খুদিত। কিন্তু খাবার এনে দেবে কে? মা মাকড়শাই ভরসা। কিন্তু মা মাকড়সা যদি খাবার আনতে যায় তাহলে বাচ্চাদের দেখাশোনা করবে কে? সে সময় যদি কেও তাদের আক্রমণ করে? আবার তাদের অভুক্ত রাখাও চলবে না। তবে উপাই? মা মাকড়সা তখন নিজের দেহটাকে আগিয়ে দেয় সন্তান্ দের কাছে খাদ্য হিসেবে। সন্তানরা কুরে কুরে মায়ের দেহ ভক্ষন করে বড় হয়ে অথে।পরে থাকে মায়ের দেহের খোলস টি। এটাই হল মা…।


Loading…

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*