নৈতিক অবক্ষয় ঘুচে গিয়ে হোক শুভবুদ্ধির উদয়! জাগুক সার্থক মাতৃপ্রেম।




জনমত

পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার। কারন?

  • ভোট লুঠ (77%, 2,262 Votes)
  • উন্নয়নের পক্ষে ভোট (17%, 486 Votes)
  • দুর্বল বিরোধী (7%, 195 Votes)

Total Voters: 2,943

Loading ... Loading ...

নজরবন্দি, অসীম কর্মকারঃ  আমার কাছে মা শুধুমাত্র আমার গর্ভধারিণী নয়, মাতৃভূমি-জন্মভূমিও আমার কাছে মাতৃসমা। মা যেমন তার সন্তানদের ভালো চায়, উন্নতি চায়, মাতৃভূমিও তেমনই তার সন্তানদের কাছে ভালোবাসা চায়।

যে জন্মভূমিতে মানুষ লালিত পালিত হয়, যে মাতৃভূমির শস্য জল হাওয়া পারিপার্শ্বিক সমাজের প্রভাব পড়ে মানুষের জীবনে সেই মাতৃভূমিকে রক্ষা করা সমস্ত সন্তানের কর্তব্য। মাতৃভূমি বিপন্ন হলে, অত্যাচারিত হলে, অপমানিত হলে, লাঞ্ছিত হলে সেই অত্যাচার অনাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোটাই মানুষের প্রথম কাজ। কিন্তু বর্তমানে আমরা এমন এক ভোগবাদী সমাজে বাস করছি যেখানে মা-মাতৃভূমি-জন্মভূমি প্রভৃতি শব্দগুলি যেন অভিধানের অওঙ্কার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মাতৃভূমির বিপন্নতা বিপর্যয়েও আমরা নির্বিকার থাকি। অথচ যে কোনো সমাজ সচেতন মানুষেরই হৃদয় স্পর্শ করা উচিৎ এই বিপন্নতায়। মা শব্দটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হলেও এর ব্যাপ্তি মহাবিশ্বজোড়া।

সন্তানের বিপন্নতায় মা সমস্ত কিছু পরিত্যাগ করতে পারেন। সন্তানকে বাঁচাতে তিনি নিজের লাজলজ্জা, এমনকি জীবন বাজি রাখতে পারেন। তাই তো মা আমাদের কাছে বিশ্বমাতা হয়ে ওঠেন। চরাচর যখন অশুভ শক্তির পদানত হয়, তখন এই মা অসুরদলনী হয়ে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির উদয় ঘটান। যে মাকে আমরা অশুভ শক্তিকে পরাজিত করার জন্য আহবান করি, সেই মাকেই আমরা আবার রঙচঙ মাখিয়ে কোনো গলির কোণে দাঁড় করিয়ে ভোগের সামগ্রী করে তুলি।

আমাদের এই জঘন্য প্রবৃত্তিটাই আজকের সমাজে মাতৃজাতির চরম অপমান। ভালোবাসা-সমাজ- মূল্যবোধের চর্চার অভাবেই আজ মায়ের এই অপমান। আমরা যদি মাতৃভূমিতে কান পাতি, তাহলেই শুনতে পাব এই কান্না। এই কান্নার শব্দে যদি আমাদের বিবেক জেগে না ওঠে তাহলে সমস্ত শিল্পে ও শিল্পসত্তা নিরর্থক।


Loading…

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*